মানুষও খানা খায়,
পশু-প্রাণি ও খানা খায়,
শুধু পার্থক্য হচ্ছে নিয়মের।
প্রতি'টা মুসলিমের জানা প্রয়োজন।
নিম্নে খানার সূন্নাহ সম্পর্কে
কয়েকটি হাদিস তুলে ধরা হলোঃ---
-------------------------------------------------
(১)আহারের পূর্বে "বিসমিল্লাহ" বলা,
---ডান হাতে খাওয়া,
---নিকটবর্তী স্থান থেকে খাওয়া,
হযরত হুযাইফা (রাঃ) হতে বর্ণিত,
রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ-
"শয়তান ঐ খাবারকে নিজের জন্য
হালাল মনে করে যার শুরুতে
বিসমিল্লাহ বলা হয়না।
--[মুসলিম শরিফ, হাদিস নং ৩৭৬১]--
হযরত উমর বিন আবু সালামা (রাঃ)
হতে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ-
"হে বৎস.! বিসমিল্লাহ বলো,
ডান হাতে খাও। আর, খাবারের
যে অংশ তোমার নিকটবর্তী
তা থেকে খাও।
--[বুখারী শরিফ, হাদিস নং ৪৯৫৮]--
:
(২)
খাবারের লোকমা উঠিয়ে খাওয়া,
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ-
"যদি তোমাদের কারও খাবারের
লোকমা পড়ে যায়,
তবে তা পরিষ্কার করে খাবে,
শয়তানের জন্য রেখে দিবে না।
--[মুসলিম শরিফ, হাদিস নং ৩৭৯৪]--
:
(৩)
খাবারের পাত্র পরিষ্কার করে খাওয়া,
হযরত আনাস (রাঃ) বলেন,
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন,
আমরা যেন খাবারের পাত্র
পরিষ্কার করে খাই। তিনি বলেন,
"তোমরা জানো না খাবারের
কোন অংশে বরকত আছে।
বরকত দ্বারা উদ্দেশ্য হলো
যার দ্বারা উপকার ও পুষ্টি লাভ হয়।
--[তিরমিজী শরিফ, হাদিস নং ১৭২৫]--
:
(৪)
আঙুল ধোয়ার পূর্বে
তা ভালো করে চেটে খাওয়া,
আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত,
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন,
"তোমরা যখন খাবে তখন সে যেন
তার আঙুল চেটে খায়,
কেননা সে জানে না
কোন আঙ্গুলে বরকত আছে।
--[মুসলিম শরিফ, হাদিস নং ৩৭৯৩]--
:
(৫)
তিন শ্বাসে পানি পান করা,
হযরত আনাস (রাঃ) বলেন,
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) পান করার সময়
তিনবার শ্বাস নিতেন।
এভাবে পানি পান করা অধিক
পিপাসা নিবারণকারী,
নিরাপদ এবং তৃপ্তিদায়ক।
--[বুখারী- ৫২০০, মুসলিম- ৩৭৮২]--
:
(৬)
খাবারের প্রশংসা করা ও
দোষ খুঁজে বের না করা,
জাবের (রাঃ) বলেন,
"রাসুলুল্লাহ (সাঃ) স্বীয় পরিবারে
কাছে তরকারী চাইলেন।
তারা বললেন-
"আমাদের কাছে সিরকা ছাড়া
আর কিছু নেই।
তিনি সিরকা আনতে বললেন
আর তা দিয়ে খেতে লাগলেন।
অতঃপর বলতে লাগলেন-
"সিরকা কতই না উত্তম তরকারী,
কতই না উত্তম তরকারী।
--[মুসলিম শরিফ, হাদিস নং ৩৮২৪]--
আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন,
"রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কখনোই
কোন খাবারের দোষ বের করে
তা নিয়ে কথা বলতেন না।
পছন্দ হলে খেতেন,
অপছন্দ হলে রেখে দিতে...
পশু-প্রাণি ও খানা খায়,
শুধু পার্থক্য হচ্ছে নিয়মের।
প্রতি'টা মুসলিমের জানা প্রয়োজন।
নিম্নে খানার সূন্নাহ সম্পর্কে
কয়েকটি হাদিস তুলে ধরা হলোঃ---
-------------------------------------------------
(১)আহারের পূর্বে "বিসমিল্লাহ" বলা,
---ডান হাতে খাওয়া,
---নিকটবর্তী স্থান থেকে খাওয়া,
হযরত হুযাইফা (রাঃ) হতে বর্ণিত,
রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ-
"শয়তান ঐ খাবারকে নিজের জন্য
হালাল মনে করে যার শুরুতে
বিসমিল্লাহ বলা হয়না।
--[মুসলিম শরিফ, হাদিস নং ৩৭৬১]--
হযরত উমর বিন আবু সালামা (রাঃ)
হতে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ-
"হে বৎস.! বিসমিল্লাহ বলো,
ডান হাতে খাও। আর, খাবারের
যে অংশ তোমার নিকটবর্তী
তা থেকে খাও।
--[বুখারী শরিফ, হাদিস নং ৪৯৫৮]--
:
(২)
খাবারের লোকমা উঠিয়ে খাওয়া,
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ-
"যদি তোমাদের কারও খাবারের
লোকমা পড়ে যায়,
তবে তা পরিষ্কার করে খাবে,
শয়তানের জন্য রেখে দিবে না।
--[মুসলিম শরিফ, হাদিস নং ৩৭৯৪]--
:
(৩)
খাবারের পাত্র পরিষ্কার করে খাওয়া,
হযরত আনাস (রাঃ) বলেন,
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন,
আমরা যেন খাবারের পাত্র
পরিষ্কার করে খাই। তিনি বলেন,
"তোমরা জানো না খাবারের
কোন অংশে বরকত আছে।
বরকত দ্বারা উদ্দেশ্য হলো
যার দ্বারা উপকার ও পুষ্টি লাভ হয়।
--[তিরমিজী শরিফ, হাদিস নং ১৭২৫]--
:
(৪)
আঙুল ধোয়ার পূর্বে
তা ভালো করে চেটে খাওয়া,
আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত,
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন,
"তোমরা যখন খাবে তখন সে যেন
তার আঙুল চেটে খায়,
কেননা সে জানে না
কোন আঙ্গুলে বরকত আছে।
--[মুসলিম শরিফ, হাদিস নং ৩৭৯৩]--
:
(৫)
তিন শ্বাসে পানি পান করা,
হযরত আনাস (রাঃ) বলেন,
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) পান করার সময়
তিনবার শ্বাস নিতেন।
এভাবে পানি পান করা অধিক
পিপাসা নিবারণকারী,
নিরাপদ এবং তৃপ্তিদায়ক।
--[বুখারী- ৫২০০, মুসলিম- ৩৭৮২]--
:
(৬)
খাবারের প্রশংসা করা ও
দোষ খুঁজে বের না করা,
জাবের (রাঃ) বলেন,
"রাসুলুল্লাহ (সাঃ) স্বীয় পরিবারে
কাছে তরকারী চাইলেন।
তারা বললেন-
"আমাদের কাছে সিরকা ছাড়া
আর কিছু নেই।
তিনি সিরকা আনতে বললেন
আর তা দিয়ে খেতে লাগলেন।
অতঃপর বলতে লাগলেন-
"সিরকা কতই না উত্তম তরকারী,
কতই না উত্তম তরকারী।
--[মুসলিম শরিফ, হাদিস নং ৩৮২৪]--
আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন,
"রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কখনোই
কোন খাবারের দোষ বের করে
তা নিয়ে কথা বলতেন না।
পছন্দ হলে খেতেন,
অপছন্দ হলে রেখে দিতে...


No comments:
Post a Comment