Sunday, 14 July 2019
Friday, 1 February 2019
Wednesday, 12 September 2018
Logo design professional fiver gig png file
hello Total REFUND Policy If you not Satisfy
Fast Express Delivery
5.0 out 5.0 Star Gig
100% Satisfaction Guaranteed
24 x 7 Premium Support
100% Money Back Guaranteed
Quick Response from my side
Full copyright of your logo
All Vector Printable Source files (Check Packages)
Unlimited Revisions
Original Logo Design from Scratch
Professional Designers Team
All logos are unique and no stock images
★★ Have queries? Contact us in inbox anytime!,
Go ahead and ORDER NOW! ★★
Friday, 27 July 2018
Salam
Assalamualikum ...Kemon achen...sobai....Aj...Friday ..jummar Din...
Sobai..k janai...Jumma.Mubarak...,?
Sobai..k janai...Jumma.Mubarak...,?
Thursday, 4 January 2018
ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে না
৭১২১. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ঃ ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ দু’টি বড় দল পরস্পরে মহাযুদ্ধে লিপ্ত না হবে। উভয় দলের দাবি হবে অভিন্ন। আর যতক্ষণ ত্রিশের কাছাকাছি মিথ্যাচারী দাজ্জাল-এর প্রকাশ না পাবে। তারা প্রত্যেকেই নিজেকে আল্লাহর প্রেরিত রাসূল বলে দাবি করবে এবং যতক্ষণ ইল্ম উঠিয়ে নেয়া না হবে। আর ভূমিকম্প অধিক হারে না হবে। আর যামানা (কাল) সংক্ষিপ্ত না হবে এবং (ব্যাপক হারে) ফিতনা প্রকাশ না পাবে। আর হারজ ব্যপকতা লাভ করবে। হারজ হল হত্যা। আর যতক্ষণ তোমাদের মাঝে ধন-সম্পদ বৃদ্ধি না পাবে। তখন সম্পদের এমন সয়লাব শুরু হবে যে, সম্পদের মালিক তার সদাকাহ কে গ্রহণ করবে- এ নিয়ে চিন্তাযুক্ত হয়ে পড়বে। এমন কি যার নিকট সে সম্পদ আনা হবে সে বলবে আমার এ মালের কোনই প্রয়োজন নেই। আর যতক্ষণ মানুষ উঁচু উঁচু প্রাসাদ নির্মাণের জন্য পরস্পরে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ না হবে। আর যতক্ষণ এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় বলবে হায়! আমি যদি এ কবরবাসীর স্থলে হতাম এবং যতক্ষণ সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত না হবে। যখন সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উঠবে এবং সকল লোক তা দেখবে এবং সেদিন সবাই ঈমান আনবে। কিন্তু সে দিন তার ঈমান কাজে আসবে না, যে এর আগে ঈমান আনেনি। কিংবা ইতোপূর্বে যারা ঈমান আনেনি কিংবা ঈমানের মাধ্যমে কল্যাণ অর্জন করেনি- (সূরাহ আন‘আম ৬/১৫৮)। আর অবশ্যই ক্বিয়ামাত এমন অবস্থায় কায়িম হবে যে, দু’ব্যক্তি (পরস্পরে বেচাকেনার উদ্দেশে) কাপড় খুলবে। কিন্তু তারা বেচাকেনা ও গুটিয়ে রাখা শেষ করতে পারবে না। অবশ্যই ক্বিয়ামাত এমন অবস্থায় কায়িম হবে যে, এক ব্যক্তি তার উটের দুধ দোহন করে নিয়ে ফিরেছে। কিন্তু সে তা পান করতে পারবে না। ক্বিয়ামাত এমন অবস্থায় কায়িম হবে যে, এক ব্যক্তি তার হাওয আস্তর করছে, কিন্তু সে পানি পান করাতে পারবে না। অবশ্যই ক্বিয়ামাত এমন (অতর্কিত) ভাবে কায়িম হবে যে, এক ব্যক্তি মুখের কাছে লোক্মা তুলবে কিন্তু সে তা আহার করতে পারবে না। [৮৫; মুসলিম ১/৭২, হাঃ ১৫৭, আহমাদ ৭১৬৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৩৬)
Wednesday, 3 January 2018
Sunday, 31 December 2017
থার্টি ফার্স্ট নাইট
Allah jeno gota bisser muslim ummahke sothik din bujhar toufik dan koren amin.Allah jeno shaikh ke uttom protidan dan koren amin.
থার্টি ফার্স্ট নাইট, অপসংস্কৃতির আগ্রাসন ও মূল্যবোধের অবক্ষয় ᴴᴰ | Shaikh Tamim Al Adnan
Happy new year 2018 থার্টি ফার্স্ট নাইট,
🗣 প্রশ্ন: ইংরেজী নববর্ষ উপলক্ষে মুসলমানরা একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানো ও দোয়া করা কি জায়েয? উল্লেখ্য, তারা উদযাপন করার নিয়তে তা করে না।
উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ।
মুসলমানদের জন্য ইংরেজী নববর্ষ উপলক্ষে পরস্পর শুভেচ্ছা বিনিময় করা নাজায়েয; যেমনিভাবে এটি উদযাপন করাও জায়েয নয়। যেহেতু এ দুইটি কাজের মধ্যে কাফেরদের সাথে সাদৃশ্য পাওয়া যায়। অথচ আমাদেরকে তাদের সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ করা থেকে নিষেধ করা হয়েছে।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ করবে সে তাদের দলভুক্ত”[সুনানে আবু দাউদ (৪০৩১), আলবানী ‘সহিহু সুনানে আবি দাউদ’ গ্রন্থে হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন]
তাছাড়া প্রতি বছর নির্দিষ্ট কোন একটি দিনে শুভেচ্ছা জানানো সে দিনটি উদযাপন করা ও সে দিনটিকে উৎসব হিসেবে গ্রহণ করার নামান্তর; ইসলামে এটি নিষিদ্ধ
উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ।মুসলমানদের জন্য ইংরেজী নববর্ষ উপলক্ষে পরস্পর শুভেচ্ছা বিনিময় করা নাজায়েয; যেমনিভাবে এটি উদযাপন করাও জায়েয নয়। যেহেতু এ দুইটি কাজের মধ্যে কাফেরদের সাথে সাদৃশ্য পাওয়া যায়। অথচ আমাদেরকে তাদের সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ করা থেকে নিষেধ করা হয়েছে।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ করবে সে তাদের দলভুক্ত”[সুনানে আবু দাউদ (৪০৩১), আলবানী ‘সহিহু সুনানে আবি দাউদ’ গ্রন্থে হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন]
তাছাড়া প্রতি বছর নির্দিষ্ট কোন একটি দিনে শুভেচ্ছা জানানো সে দিনটি উদযাপন করা ও সে দিনটিকে উৎসব হিসেবে গ্রহণ করার নামান্তর; ইসলামে এটি নিষিদ্ধ
Thursday, 14 December 2017
আল হাদিস,
বিনা কারনে তর্ক পরিহার করুন
~~~~~~~~~~~~~
আবু উমামা বাহেলী (রাঃ)
তিনি বলেন, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘আমি সেই ব্যক্তির জন্য জান্নাতে একটি ঘর নিয়ে দেয়ার জন্য যামীন, যে তর্ক পরিহার করে হক হলেও। আর একটি ঘর জান্নাতের মাঝামাঝিতে নিয়ে দেয়ার জন্য যামীন, যে মিথ্যা পরিহার করে মজা করে হলেও এবং আরও একটি ঘর জান্নাতের সর্বোচ্চে নিয়ে দেয়ার জন্য যিম্মাদার, যে তার চরিত্রকে সুন্দর করবে’ (আবুদাঊদ হা/৪৮০০; বায়াহাক্বী, আত-তারগীব ওয়াত তারহীব হা/৪১৭৯)।
সূরা আল-ফুরকান:63 – রহমান-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে থাকে, তখন তারা বলে, সালাম।
সূরা আল আন-আম:159 – নিশ্চয় যারা স্বীয় ধর্মকে খন্ড-বিখন্ড করেছে এবং অনেক দল হয়ে গেছে, তাদের সাথে আপনার কোন সম্পর্ক নেই। তাদের ব্যাপার আল্লাহ তা`আয়ালার নিকট সমর্পিত। অতঃপর তিনি বলে দেবেন যা কিছু তারা করে থাকে।
তোমার পালনকর্তা যাদের উপর রহমত করেছেন,তারা ব্যতীত সবাই চিরদিন মতভেদ করতেই থাকবে এবং এজন্যই তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। আর তোমার আল্লাহর কথাই পূর্ণ হল যে, অবশ্যই আমি জাহান্নামকে জ্বিন ও মানুষ দ্বারা একযোগে ভর্তি করব। (Sura Hud: 119)
আল্লাহর দ্বীন মেনে নেয়ার পর যারা সে সম্পর্কে বিতর্কে প্রবৃত্ত হয়, তাদের বিতর্ক তাদের পালনকর্তার কাছে বাতিল, তাদের প্রতি আল্লাহর গযব এবং তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর আযাব। (Ash-Shura: 16)
আপনি কি তাদেরকে দেখেননি, যারা আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা কোথায় ফিরছে? (Ghaafir: 69)
যারা নিজেদের কাছে আগত কোন দলীল ছাড়াই আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তাদের একজন আল্লাহ ও মুমিনদের কাছে খুবই অসন্তোষজনক।এমনিভাবে আল্লাহ প্রত্যেক অহংকারী-স্বৈরাচারী ব্যক্তির অন্তরে মোহর এঁটে দেন। (Ghaafir: 35)
নিশ্চয় যারা আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে তাদের কাছে আগত কোন দলীল ব্যতিরেকে, তাদের অন্তরে আছে কেবল আত্নম্ভরিতা, যা অর্জনে তারা সফল হবে না। অতএব, আপনি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি সবকিছু শুনেন, সবকিছু দেখেন।(Ghaafir: 56)
উপরের আয়াতগুলো দ্বারা বুঝা যায় অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে তর্ক করা আল্লাহর নির্দেশের পরিপন্থী।
আবু উমামা বাহেলী (রাঃ)
তিনি বলেন, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘আমি সেই ব্যক্তির জন্য জান্নাতে একটি ঘর নিয়ে দেয়ার জন্য যামীন, যে তর্ক পরিহার করে হক হলেও। আর একটি ঘর জান্নাতের মাঝামাঝিতে নিয়ে দেয়ার জন্য যামীন, যে মিথ্যা পরিহার করে মজা করে হলেও এবং আরও একটি ঘর জান্নাতের সর্বোচ্চে নিয়ে দেয়ার জন্য যিম্মাদার, যে তার চরিত্রকে সুন্দর করবে’ (আবুদাঊদ হা/৪৮০০; বায়াহাক্বী, আত-তারগীব ওয়াত তারহীব হা/৪১৭৯)।
সূরা আল-ফুরকান:63 – রহমান-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে থাকে, তখন তারা বলে, সালাম।
সূরা আল আন-আম:159 – নিশ্চয় যারা স্বীয় ধর্মকে খন্ড-বিখন্ড করেছে এবং অনেক দল হয়ে গেছে, তাদের সাথে আপনার কোন সম্পর্ক নেই। তাদের ব্যাপার আল্লাহ তা`আয়ালার নিকট সমর্পিত। অতঃপর তিনি বলে দেবেন যা কিছু তারা করে থাকে।
তোমার পালনকর্তা যাদের উপর রহমত করেছেন,তারা ব্যতীত সবাই চিরদিন মতভেদ করতেই থাকবে এবং এজন্যই তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। আর তোমার আল্লাহর কথাই পূর্ণ হল যে, অবশ্যই আমি জাহান্নামকে জ্বিন ও মানুষ দ্বারা একযোগে ভর্তি করব। (Sura Hud: 119)
আল্লাহর দ্বীন মেনে নেয়ার পর যারা সে সম্পর্কে বিতর্কে প্রবৃত্ত হয়, তাদের বিতর্ক তাদের পালনকর্তার কাছে বাতিল, তাদের প্রতি আল্লাহর গযব এবং তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর আযাব। (Ash-Shura: 16)
আপনি কি তাদেরকে দেখেননি, যারা আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা কোথায় ফিরছে? (Ghaafir: 69)
যারা নিজেদের কাছে আগত কোন দলীল ছাড়াই আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তাদের একজন আল্লাহ ও মুমিনদের কাছে খুবই অসন্তোষজনক।এমনিভাবে আল্লাহ প্রত্যেক অহংকারী-স্বৈরাচারী ব্যক্তির অন্তরে মোহর এঁটে দেন। (Ghaafir: 35)
নিশ্চয় যারা আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে তাদের কাছে আগত কোন দলীল ব্যতিরেকে, তাদের অন্তরে আছে কেবল আত্নম্ভরিতা, যা অর্জনে তারা সফল হবে না। অতএব, আপনি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি সবকিছু শুনেন, সবকিছু দেখেন।(Ghaafir: 56)উপরের আয়াতগুলো দ্বারা বুঝা যায় অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে তর্ক করা আল্লাহর নির্দেশের পরিপন্থী।
Subscribe to:
Posts (Atom)




