Sunday, 31 December 2017

থার্টি ফার্স্ট নাইট

Allah jeno gota bisser muslim ummahke sothik din bujhar toufik dan koren amin.Allah jeno shaikh ke uttom protidan dan koren amin.
থার্টি ফার্স্ট নাইট, অপসংস্কৃতির আগ্রাসন ও মূল্যবোধের অবক্ষয় ᴴᴰ | Shaikh Tamim Al Adnan

Happy new year 2018 থার্টি ফার্স্ট নাইট,

🗣 প্রশ্ন: ইংরেজী নববর্ষ উপলক্ষে মুসলমানরা একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানো ও দোয়া করা কি জায়েয? উল্লেখ্য, তারা উদযাপন করার নিয়তে তা করে না।

👉 উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ।
মুসলমানদের জন্য ইংরেজী নববর্ষ উপলক্ষে পরস্পর শুভেচ্ছা বিনিময় করা নাজায়েয; যেমনিভাবে এটি উদযাপন করাও জায়েয নয়। যেহেতু এ দুইটি কাজের মধ্যে কাফেরদের সাথে সাদৃশ্য পাওয়া যায়। অথচ আমাদেরকে তাদের সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ করা থেকে নিষেধ করা হয়েছে।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ করবে সে তাদের দলভুক্ত”[সুনানে আবু দাউদ (৪০৩১), আলবানী ‘সহিহু সুনানে আবি দাউদ’ গ্রন্থে হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন]

তাছাড়া প্রতি বছর নির্দিষ্ট কোন একটি দিনে শুভেচ্ছা জানানো সে দিনটি উদযাপন করা ও সে দিনটিকে উৎসব হিসেবে গ্রহণ করার নামান্তর; ইসলামে এটি নিষিদ্ধ

click more

Thursday, 14 December 2017

আল হাদিস,

বিনা কারনে তর্ক পরিহার করুন
~~~~~~~~~~~~~
আবু উমামা বাহেলী (রাঃ)
তিনি বলেন, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘আমি সেই ব্যক্তির জন্য জান্নাতে একটি ঘর নিয়ে দেয়ার জন্য যামীন, যে তর্ক পরিহার করে হক হলেও। আর একটি ঘর জান্নাতের মাঝামাঝিতে নিয়ে দেয়ার জন্য যামীন, যে মিথ্যা পরিহার করে মজা করে হলেও এবং আরও একটি ঘর জান্নাতের সর্বোচ্চে নিয়ে দেয়ার জন্য যিম্মাদার, যে তার চরিত্রকে সুন্দর করবে’ (আবুদাঊদ হা/৪৮০০; বায়াহাক্বী, আত-তারগীব ওয়াত তারহীব হা/৪১৭৯)।

♦সূরা আল-ফুরকান:63 – রহমান-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে থাকে, তখন তারা বলে, সালাম।

♦সূরা আল আন-আম:159 – নিশ্চয় যারা স্বীয় ধর্মকে খন্ড-বিখন্ড করেছে এবং অনেক দল হয়ে গেছে, তাদের সাথে আপনার কোন সম্পর্ক নেই। তাদের ব্যাপার আল্লাহ তা`আয়ালার নিকট সমর্পিত। অতঃপর তিনি বলে দেবেন যা কিছু তারা করে থাকে।

♦তোমার পালনকর্তা যাদের উপর রহমত করেছেন,তারা ব্যতীত সবাই চিরদিন মতভেদ করতেই থাকবে এবং এজন্যই তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। আর তোমার আল্লাহর কথাই পূর্ণ হল যে, অবশ্যই আমি জাহান্নামকে জ্বিন ও মানুষ দ্বারা একযোগে ভর্তি করব। (Sura Hud: 119)

♦আল্লাহর দ্বীন মেনে নেয়ার পর যারা সে সম্পর্কে বিতর্কে প্রবৃত্ত হয়, তাদের বিতর্ক তাদের পালনকর্তার কাছে বাতিল, তাদের প্রতি আল্লাহর গযব এবং তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর আযাব। (Ash-Shura: 16)

♦আপনি কি তাদেরকে দেখেননি, যারা আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা কোথায় ফিরছে? (Ghaafir: 69)

♦ যারা নিজেদের কাছে আগত কোন দলীল ছাড়াই আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তাদের একজন আল্লাহ ও মুমিনদের কাছে খুবই অসন্তোষজনক।এমনিভাবে আল্লাহ প্রত্যেক অহংকারী-স্বৈরাচারী ব্যক্তির অন্তরে মোহর এঁটে দেন। (Ghaafir: 35)

♦নিশ্চয় যারা আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে তাদের কাছে আগত কোন দলীল ব্যতিরেকে, তাদের অন্তরে আছে কেবল আত্নম্ভরিতা, যা অর্জনে তারা সফল হবে না। অতএব, আপনি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি সবকিছু শুনেন, সবকিছু দেখেন।(Ghaafir: 56)

উপরের আয়াতগুলো দ্বারা বুঝা যায় অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে তর্ক করা আল্লাহর নির্দেশের পরিপন্থী।

Wednesday, 6 December 2017

মানুষও খানা খায়,
পশু-প্রাণি ও খানা খায়,
শুধু পার্থক্য হচ্ছে নিয়মের।
প্রতি'টা মুসলিমের জানা প্রয়োজন।
নিম্নে খানার সূন্নাহ সম্পর্কে
কয়েকটি হাদিস তুলে ধরা হলোঃ---
-------------------------------------------------
(১)আহারের পূর্বে "বিসমিল্লাহ" বলা,
---ডান হাতে খাওয়া,
---নিকটবর্তী স্থান থেকে খাওয়া,
হযরত হুযাইফা (রাঃ) হতে বর্ণিত,
রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ-
"শয়তান ঐ খাবারকে নিজের জন্য
হালাল মনে করে যার শুরুতে
বিসমিল্লাহ বলা হয়না।
--[মুসলিম শরিফ, হাদিস নং ৩৭৬১]--
হযরত উমর বিন আবু সালামা (রাঃ)
হতে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ-
"হে বৎস.! বিসমিল্লাহ বলো,
ডান হাতে খাও। আর, খাবারের
যে অংশ তোমার নিকটবর্তী
তা থেকে খাও।
--[বুখারী শরিফ, হাদিস নং ৪৯৫৮]--
:
(২)
খাবারের লোকমা উঠিয়ে খাওয়া,
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ-
"যদি তোমাদের কারও খাবারের
লোকমা পড়ে যায়,
তবে তা পরিষ্কার করে খাবে,
শয়তানের জন্য রেখে দিবে না।
--[মুসলিম শরিফ, হাদিস নং ৩৭৯৪]--
:
(৩)
খাবারের পাত্র পরিষ্কার করে খাওয়া,
হযরত আনাস (রাঃ) বলেন,
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন,
আমরা যেন খাবারের পাত্র
পরিষ্কার করে খাই। তিনি বলেন,
"তোমরা জানো না খাবারের
কোন অংশে বরকত আছে।
বরকত দ্বারা উদ্দেশ্য হলো
যার দ্বারা উপকার ও পুষ্টি লাভ হয়।
--[তিরমিজী শরিফ, হাদিস নং ১৭২৫]--
:
(৪)
আঙুল ধোয়ার পূর্বে
তা ভালো করে চেটে খাওয়া,
আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত,
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন,
"তোমরা যখন খাবে তখন সে যেন
তার আঙুল চেটে খায়,
কেননা সে জানে না
কোন আঙ্গুলে বরকত আছে।
--[মুসলিম শরিফ, হাদিস নং ৩৭৯৩]--
:
(৫)
তিন শ্বাসে পানি পান করা,
হযরত আনাস (রাঃ) বলেন,
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) পান করার সময়
তিনবার শ্বাস নিতেন।
এভাবে পানি পান করা অধিক
পিপাসা নিবারণকারী,
নিরাপদ এবং তৃপ্তিদায়ক।
--[বুখারী- ৫২০০, মুসলিম- ৩৭৮২]--
:
(৬)
খাবারের প্রশংসা করা ও
দোষ খুঁজে বের না করা,
জাবের (রাঃ) বলেন,
"রাসুলুল্লাহ (সাঃ) স্বীয় পরিবারে
কাছে তরকারী চাইলেন।
তারা বললেন-
"আমাদের কাছে সিরকা ছাড়া
আর কিছু নেই।
তিনি সিরকা আনতে বললেন
আর তা দিয়ে খেতে লাগলেন।
অতঃপর বলতে লাগলেন-
"সিরকা কতই না উত্তম তরকারী,
কতই না উত্তম তরকারী।
--[মুসলিম শরিফ, হাদিস নং ৩৮২৪]--
আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন,
"রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কখনোই
কোন খাবারের দোষ বের করে
তা নিয়ে কথা বলতেন না।
পছন্দ হলে খেতেন,
অপছন্দ হলে রেখে দিতে...
..

Saturday, 2 December 2017

বিতির #নামাজ*

#বিতির #না#বিতির #নামাজ*

 ৩ ও ১ রাকাত বিতির নামাজ কিভাবে পড়বেন?*
➖➖➖📚

৩ রাকআত বিতরের নিয়ম হল দুই প্রকার;

(ক) ২ রাকআত পড়ে সালাম ফিরে দিতে হবে। অতঃপর উঠে পুনরায় নতুন করে আরো এক রাকআত পড়ে সালাম ফিরতে হবে। (ইবনে আবী শাইবা, ইর: ২/১৫০) ইবনে উমারও এইভাবে বিত্‌র পড়তেন। (বুখারী)

(খ) ৩ রাকআত একটানা পড়ে তাশাহ্‌হুদে বসতে হবে। তাতে আত্‌-তাহিয়্যাত ও দরুদ-দুআ পড়ে সালাম ফিরতে হবে। (হাকেম, মুস্তাদরাক ১/৩০৪, বায়হাকী ৩/২৮, ৩/৩১) এ ক্ষেত্রে মাগরেবের নামাযের মত মাঝে (২ রাকআত পড়ে) আত্‌-তাহিয়্যাত পড়া যাবে না। যেহেতু আল্লাহর রসূল (সাঃ) বিতরকে মাগরেবের মত পড়তে নিষেধ করেছেন। (ইবনে হিব্বান, সহীহ ২৪২০,হাকেম, মুস্তাদরাক ১/৩০৪, বায়হাকী ৩/৩১, দারাক্বুত্বনী, সুনান ১৬৩৪নং)

এতদ্ব্যতীত ৩ রাকআত বিত্‌র মাগরেবের মত করে পড়া, (দারাক্বুত্বনী, সুনান ১৬৩৭নং) নতুন করে তাহ্‌রীমার তকবীর দেওয়ার মত (উল্টা) তকবীর দিয়ে পুনরায় হাত বেঁধে কুনূত পড়া ইত্যাদি কিছু সলফ কর্তৃক বর্ণনা করা হলেও তা সহীহ নয়। (ইর: ৪২৭নং, তুহ্‌ফাতুল আহওয়াযী ১/৪৬৪) অতএব তা বিদআত ও পরিত্যাজ্য।

১ রাকআত বিত্‌র :

বিত্‌র এক রাকআতও পড়া যায়। খোদ মহানবী (সাঃ) এক রাকআত বিত্‌র পড়তেন। তিনি বলেন, “রাতের নামায দু রাকআত দু রাকআত। অতঃপর তোমাদের কেউ যখন ফজর হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করে তখন সে যেন এক রাকআত বিত্‌র পড়ে নেয়।” (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ১২৫৪নং)

তিনি আরো বলেন, “বিত্‌র হল শেষ রাতে এক রাকআত।” (মুসলিম, মিশকাত ১২৫৫নং)

তিনি বলেন, “বিত্‌র হল প্রত্যেক মুসলিমের জন্য হ্‌ক বা সত্য। সুতরাং যে ৫ রাকআত বিত্‌র পড়তে পছন্দ করে সে তাই পড়ুক, যে ৩ রাকআত পড়তে পছন্দ করে সে তাই পড়ুক এবং যে এক রাকআত পড়তে পছন্দ করে সে তাই পড়ুক।” (আবূদাঊদ, সুনান ১৪২২, নাসাঈ, সুনান, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান, মিশকাত ১২৬৫নং)

ইবনে আব্বাস (রাঃ)-কে বলা হল যে, মুআবিয়া (রাঃ) এশার পরে এক রাকআত বিত্‌র পড়লেন (সেটা কি ঠিক)? উত্তরে তিনি বললেন, ‘তিনি ঠিকই করেছেন। তিনি তো ফকীহ্‌। তাঁকে নিজের অবস্থায় ছেড়ে দাও, তিনি নবী (সাঃ)-এর সাহাবী।’ (বুখারী, মিশকাত ১২৭৭নং)

এ ছাড়া আরো অন্যান্য বহু সলফ ১ রাকআত বিত্‌র পড়তেন। (ইবনে আবী শাইবা দ্র:)

১ রাকাত বিতির পড়ার নিয়ম :
~~~~~
প্রথমে নিয়ত করবে (নাওয়াইতু… পড়বেন না, অন্তরে নিয়ত করবেন)
এরপর সানা পরবে, অতঃপর আউযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ পড়ে সুরা ফাতিহা পড়বে।
এর পরে যে কোনো একটা সুরা মিলাবে। সুরা মিলানোর পর দুয়া কুনুত পড়বে। কুনুত দুইভাবে পড়া যায়, রুকুর আগে ও রুকুর পরে, তবে রুকুর পরে পড়াই উত্তম। তাই রুকুর পরে পড়ার অভ্যাস করা যেতে পারে।

আমাদের দেশে কুনুত পড়ার আগে আল্লাহু আকবার বলে হাত তুলে আবার হাত বাঁধার যে নিয়ম প্রচলিত আছে তা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) থেকে প্রমানিত না। তাই আল্লাহু আকবার বলে হাত না তুলে কিরাতের পরে সরাসরি দুয়া কুনুত পড়তে হবে।

আর রুকুর পরে কুনুত পরতে চাইলে, কিরাতের পরে রুকু করবেন, রুকু থেকে দাঁড়িয়ে সামিয়াল্লাহ হুলিমান হা’মীদাহ, রাব্বানা লাকাল হা’মদ বলার পরে দাঁড়ানো অবস্থাতে মুনাজাতের মতো হাত তুলে কুনুত পড়বেন। কুনুত পড়ার সময় মুনাজাত করার মতো হাত তুলে কুনুত পড়া মুস্তাহাব । কুনুত শেষ হলে আল্লাহু আকবার বলে সিজদাতে যাবেন । দুই সিজদা করার পর আর দাঁড়াবেন না (কারণ আপনি ১ রাকাত বিতির পড়ছেন)। আত্তাহিয়্যাতু, দুরুদ ও দু’আ মাছুরা পড়ে সালাম ফিরাবেন।মাজ*

 ৩ ও ১ রাকাত বিতির নামাজ কিভাবে পড়বেন?*
➖➖➖📚

৩ রাকআত বিতরের নিয়ম হল দুই প্রকার;

(ক) ২ রাকআত পড়ে সালাম ফিরে দিতে হবে। অতঃপর উঠে পুনরায় নতুন করে আরো এক রাকআত পড়ে সালাম ফিরতে হবে। (ইবনে আবী শাইবা, ইর: ২/১৫০) ইবনে উমারও এইভাবে বিত্‌র পড়তেন। (বুখারী)

(খ) ৩ রাকআত একটানা পড়ে তাশাহ্‌হুদে বসতে হবে। তাতে আত্‌-তাহিয়্যাত ও দরুদ-দুআ পড়ে সালাম ফিরতে হবে। (হাকেম, মুস্তাদরাক ১/৩০৪, বায়হাকী ৩/২৮, ৩/৩১) এ ক্ষেত্রে মাগরেবের নামাযের মত মাঝে (২ রাকআত পড়ে) আত্‌-তাহিয়্যাত পড়া যাবে না। যেহেতু আল্লাহর রসূল (সাঃ) বিতরকে মাগরেবের মত পড়তে নিষেধ করেছেন। (ইবনে হিব্বান, সহীহ ২৪২০,হাকেম, মুস্তাদরাক ১/৩০৪, বায়হাকী ৩/৩১, দারাক্বুত্বনী, সুনান ১৬৩৪নং)

এতদ্ব্যতীত ৩ রাকআত বিত্‌র মাগরেবের মত করে পড়া, (দারাক্বুত্বনী, সুনান ১৬৩৭নং) নতুন করে তাহ্‌রীমার তকবীর দেওয়ার মত (উল্টা) তকবীর দিয়ে পুনরায় হাত বেঁধে কুনূত পড়া ইত্যাদি কিছু সলফ কর্তৃক বর্ণনা করা হলেও তা সহীহ নয়। (ইর: ৪২৭নং, তুহ্‌ফাতুল আহওয়াযী ১/৪৬৪) অতএব তা বিদআত ও পরিত্যাজ্য।

১ রাকআত বিত্‌র :

বিত্‌র এক রাকআতও পড়া যায়। খোদ মহানবী (সাঃ) এক রাকআত বিত্‌র পড়তেন। তিনি বলেন, “রাতের নামায দু রাকআত দু রাকআত। অতঃপর তোমাদের কেউ যখন ফজর হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করে তখন সে যেন এক রাকআত বিত্‌র পড়ে নেয়।” (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ১২৫৪নং)

তিনি আরো বলেন, “বিত্‌র হল শেষ রাতে এক রাকআত।” (মুসলিম, মিশকাত ১২৫৫নং)

তিনি বলেন, “বিত্‌র হল প্রত্যেক মুসলিমের জন্য হ্‌ক বা সত্য। সুতরাং যে ৫ রাকআত বিত্‌র পড়তে পছন্দ করে সে তাই পড়ুক, যে ৩ রাকআত পড়তে পছন্দ করে সে তাই পড়ুক এবং যে এক রাকআত পড়তে পছন্দ করে সে তাই পড়ুক।” (আবূদাঊদ, সুনান ১৪২২, নাসাঈ, সুনান, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান, মিশকাত ১২৬৫নং)

ইবনে আব্বাস (রাঃ)-কে বলা হল যে, মুআবিয়া (রাঃ) এশার পরে এক রাকআত বিত্‌র পড়লেন (সেটা কি ঠিক)? উত্তরে তিনি বললেন, ‘তিনি ঠিকই করেছেন। তিনি তো ফকীহ্‌। তাঁকে নিজের অবস্থায় ছেড়ে দাও, তিনি নবী (সাঃ)-এর সাহাবী।’ (বুখারী, মিশকাত ১২৭৭নং)

এ ছাড়া আরো অন্যান্য বহু সলফ ১ রাকআত বিত্‌র পড়তেন। (ইবনে আবী শাইবা দ্র:)

১ রাকাত বিতির পড়ার নিয়ম :
~~~~~
প্রথমে নিয়ত করবে (নাওয়াইতু… পড়বেন না, অন্তরে নিয়ত করবেন)
এরপর সানা পরবে, অতঃপর আউযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ পড়ে সুরা ফাতিহা পড়বে।
এর পরে যে কোনো একটা সুরা মিলাবে। সুরা মিলানোর পর দুয়া কুনুত পড়বে। কুনুত দুইভাবে পড়া যায়, রুকুর আগে ও রুকুর পরে, তবে রুকুর পরে পড়াই উত্তম। তাই রুকুর পরে পড়ার অভ্যাস করা যেতে পারে।

আমাদের দেশে কুনুত পড়ার আগে আল্লাহু আকবার বলে হাত তুলে আবার হাত বাঁধার যে নিয়ম প্রচলিত আছে তা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) থেকে প্রমানিত না। তাই আল্লাহু আকবার বলে হাত না তুলে কিরাতের পরে সরাসরি দুয়া কুনুত পড়তে হবে।

আর রুকুর পরে কুনুত পরতে চাইলে, কিরাতের পরে রুকু করবেন, রুকু থেকে দাঁড়িয়ে সামিয়াল্লাহ হুলিমান হা’মীদাহ, রাব্বানা লাকাল হা’মদ বলার পরে দাঁড়ানো অবস্থাতে মুনাজাতের মতো হাত তুলে কুনুত পড়বেন। কুনুত পড়ার সময় মুনাজাত করার মতো হাত তুলে কুনুত পড়া মুস্তাহাব । কুনুত শেষ হলে আল্লাহু আকবার বলে সিজদাতে যাবেন । দুই সিজদা করার পর আর দাঁড়াবেন না (কারণ আপনি ১ রাকাত বিতির পড়ছেন)। আত্তাহিয়্যাতু, দুরুদ ও দু’আ মাছুরা পড়ে সালাম ফিরাবেন।

আপনার মেয়ে বা স্ত্রীর

আপনার মেয়ে বা স্ত্রীর মাখা সুগন্ধী যদি কোন পরপুরুষ পায় তাহলে আপনার স্ত্রী বা মেয়ে একজন ব্যাভিচারী,,,,,
___
মুসলিম মহিলাদের জন্য পোশাকে বা শরীরে সুগন্ধি মেখে বাইরে বের হতে রাসূলুল্লাহ ﷺ বিশেষভাবে নিষেধ করেছেন। আবূ মূসা আশ‘আরী (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
أَيُّـمَا امْـرَأَةٍ اسْتَـعْـطَـرَتْ فَـمَـرَّتْ عَلَى قَـوْمٍ لِـيَـجِـدُوا مِـنْ رِيـحِـهَا فَـهِـيَ زَانِـيَـةٌ
‘‘যদি কোনো মহিলা সুগন্ধি মেখে মানুষের মধ্যে প্রবেশ করে, যেন মানুষেরা তার সুগন্ধ অনুভব করে, তবে সেই মহিলা ব্যভিচারিণী।” হাদীসটির সনদ সহীহ।
তিরমিযী, আস-সুনান ৫/১০৬; নাসাঈ, আস-সুনান ৮/১৫৩; আবূ দাউদ, আস-সুনান ৪/৭৯; হাকিম, আল-মুসতাদরাক ২/৪৩০; আলবানী, জিলবাব, পৃ. ১৩৭-১৩৮।

"জুম'আর সালাতে তিন ধরনের লোক হাজির হয়

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, "জুম'আর সালাতে তিন ধরনের লোক হাজির হয়।
১। এক ধরনের লোক আছে যারা মসজিদে প্রবেশের পর তামাশা করে, তারা বিনিময়ে তামাশা ছাড়া কিছুই পাবে না।
২। দ্বিতীয় আরেক ধরনের লোক আছে যারা জুম'আয় হাজির হয় সেখানে দু'আ মুনাজাত করে, ফলে আল্লাহ যাকে চান তাকে কিছু দেন আর যাকে ইচ্ছা দেন না।
৩। তৃতীয় প্রকার লোক হল যারা জুম'আয় হাজির হয়, চুপচাপ থাকে, মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনে, কারও ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনে আগায় না, কাউকে কষ্ট দেয় না, তার দুই জুম'আর মধ্যবর্তী ৭ দিন সহ আরও তিনদিন যোগ করে মোট দশ দিনের গুনাহ খাতা আল্লাহ তা'আলা মাফ করে দেন।"
--[আবু দাউদ ১১১৩]

ঈমানের স্বাদ

আনাস (রাঃ) বর্ণনা বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিনটি গুন যার মধ্যে আছে, সে ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করতে পারেঃ
_
_১. আল্লাহ ও তাঁর রসূল তার নিকট অন্য সকল কিছু হতে অধিক প্রিয় হওয়া;
_২. কাউকে একমাত্র আল্লাহর জন্যই ভালবাসা;
_৩. কুফ্‌রীতে প্রত্যাবর্তনকে আগুনে নিক্ষিপ্ত হবার মত অপছন্দ করা।
_
(আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৫)
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ১৬
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস